দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরাইলের একাধিক হামলায় লেবাননে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছিল।
সোমবারের এসব হামলা সংঘটিত হয় এমন এক সময়, যখন লেবানন ও ইসরাইলের কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন ডিসিতে আলোচনা শেষে ৪৫ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হন। তবে এর আগেও যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে ইসরাইল একাধিকবার তা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ আন্দোলনের এক নেতা এবং তার ১৭ বছর বয়সী কন্যা রয়েছেন। পূর্ব লেবাননের বালবেক জেলার দৌরিস শহরে একটি ভবনে বিমান হামলায় তাদের মৃত্যু হয়।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর বালবেক এলাকার শরণার্থী শিবিরে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং বহু মানুষ সেখানে শোক মিছিল করেন।
দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায়ও হামলা অব্যাহত রয়েছে। হানাওয়াই, ডিবাল, দেইর আম্মার, দেইর আমেস ও মেইরকা এলাকায় বিস্ফোরণ ও বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। একই দিনে হারৌফসহ আরও কয়েকটি এলাকায়ও হামলা হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে ৩০টিরও বেশি টার্গেটে হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে অস্ত্র সংরক্ষণাগার, পর্যবেক্ষণ পোস্ট ও সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র রয়েছে।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি গ্রামে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা স্থানীয়দের মতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শামিল।
মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, সাম্প্রতিক সংঘাতে লেবাননে লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএস/