দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরান-ইসরাইল সংঘাতের কারণে বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। কাতারের প্রধান রপ্তানিকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, হরমুজ প্রণালিতে ব্লকেজ এবং নতুন সরবরাহের সম্ভাব্য বিলম্বের কারণে এশিয়ার মূল্যসংবেদনশীল ক্রেতাদের চাহিদা আগের মত বৃদ্ধি পাবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের আগে বিশ্লেষকরা আশা করেছিলেন, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী এলএনজি সরবরাহ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা ৪৬০ থেকে ৪৮৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন রেঞ্জে থাকবে। নতুন উৎপাদন ক্ষমতা, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারে, বাজারে আসার কারণে চাহিদা একই হারে বাড়বে বলে ধারণা করা হয়েছিল।
কিন্তু ইরান হরমুজ প্রণালি ব্লক করার পাশাপাশি কাতারের তরলীকরণের স্টেশনগুলোর ক্ষতির কারণে বছরে ১২.৮ মিলিয়ন টন এলএনজি উৎপাদন তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত হয়েছে। এর ফলে S&P Global Energy, ICIS, Kpler ও Rystad Energy-এর মত পরামর্শ সংস্থাগুলো বৈশ্বিক সরবরাহ পূর্বাভাস কমিয়ে ৩৫ মিলিয়ন টন পর্যন্ত করেছে।
এ পরিমাণ এলএনজি প্রায় ৫০০টি কার্গো সমান, যা জাপানের বার্ষিক আমদানি বা বাংলাদেশের জন্য পাঁচ বছরের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
S&P Global Energy-এর বিশ্লেষক লুসিয়ান মুলবার্গ বলেন, ‘এই গ্যাস মূল্যের সংকট কিছু দেশকে তাদের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করবে। তাই এলএনজি চাহিদার বৃদ্ধি আমাদের আগের পূর্বাভাসের চেয়ে কম হবে।’ প্রতিষ্ঠানটি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রপ্তানি ৩৩ মিলিয়ন টন কমার পূর্বাভাস দিয়েছে এবং ২০২৭ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে কাতারের নর্থ ফিল্ড এক্সপ্যানশন ও অ্যাডনক-এর রুয়াইস এলএনজি প্রকল্পের বিলম্বের কারণে আরও ১৯ মিলিয়ন টন কমিয়ে দেখিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/