দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ১৪ ও ১৫ মে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে চীনে সাক্ষাৎ করবেন। এটি হবে প্রায় ১০ বছরের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের চীনে প্রথম সফর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই সফর পূর্বনির্ধারিত ছিল ৩১ মার্চ, তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। তিনি আরও লিখেছেন, এই বছরের মধ্যে শি জিনপিংকে ওয়াশিংটন ডিসিতেও আমন্ত্রণ জানানো হবে এবং দুই দেশের কর্মকর্তারা “ঐতিহাসিক সফরের” প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট শি সফর স্থগিতের বিষয়টি বুঝেছেন এবং সম্মত হয়েছেন। তিনি বলেন, “বর্তমান লড়াই চলাকালে প্রেসিডেন্টের দেশেই থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “উভয় পক্ষের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীনের সফর নিয়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। নেতৃস্থানীয় কূটনীতি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।”
সফর স্থগিত হওয়ার পেছনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে গত মাসে হওয়া বিস্তৃত হামলার প্রভাব রয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর ইরান হামলা চালিয়ে হরমুজ প্রণালি effectively বন্ধ করে দিয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে।
ট্রাম্প ইতিমধ্যে মার্কিন মিত্রদের হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য সহযোগিতা করতে বলেছে এবং ইরানকে হুমকি দিয়েছেন, যাতে তারা জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার মুখে পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে প্রভাবিত। এই সফরকে শান্তিচিন্তা বা উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত হিসেবে নজর রাখা হবে। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও সফরকে স্বাগত জানিয়েছে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিনিময় ও সরাসরি যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/