দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি। ইসরায়েলি বাহিনীর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে মসজিদ কমপ্লেক্সটি বন্ধ থাকায় মুসল্লিরা বাধ্য হয়ে আশপাশের এলাকায় সীমিতভাবে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
শুক্রবার সকালে শত শত মুসলমান জেরুজালেমের পুরাতন শহরের বাইরে জড়ো হয়ে নামাজ আদায় করেন। এ সময় ইসরায়েলি পুলিশ আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে রাখে।
৩৫ একর আয়তনের আল-হারাম আল-শারিফ নামে পরিচিত এ কমপ্লেক্সে আল-আকসা মসজিদ, কুব্বাত আস-সাখরা এবং আরও বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। এটি ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে বিবেচিত।
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আল-আকসা চত্বর প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। এর ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি মুসল্লি ওল্ড সিটির বাইরে মসজিদের নিকটবর্তী স্থানে সমবেত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে আল-আকসা মসজিদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করাই ইসরায়েলের মূল উদ্দেশ্য। স্থানীয় বাসিন্দা ৪৮ বছর বয়সী হেজেন বুলবুল বলেন, ‘এটি জেরুজালেমের মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক দিন। হয়তো এটি প্রথমবার, কিন্তু শেষবার নয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ ক্রমেই বেড়েছে।’
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পুরাতন শহরে ফিলিস্তিনি মুসলিম ও ধর্মীয় কর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের কমপ্লেক্সে প্রবেশ এবং নামাজ চলাকালে মুসল্লিদের আটক করার ঘটনাও বেড়েছে।
আল-আকসার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি মুসল্লিদের মসজিদের যতটা সম্ভব কাছাকাছি স্থানে ঈদের নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দেন।
এমএস/