দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে অভিবাসনবিরোধী নীতি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী এবং ২ হাজার ৫০০ বিশেষায়িত কর্মী রয়েছেন।
পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, অধিকাংশ ভিসা বাতিল করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার’ কারণে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এছাড়া ভিসা প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, ভিসা বাতিলের চারটি প্রধান কারণ হলো—ভিসার মেয়াদ অতিক্রম, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা এবং চুরি। তিনি বলেন, ২০২৫ সালে ভিসা বাতিলের হার ২০২৪ সালের তুলনায় ১৫০ শতাংশ বেড়েছে।
ভিসা বাতিলের এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অপরাধী বহিষ্কার অভিযান’ এর অংশ। গত মাসে প্রশাসন জানিয়েছিল, তাদের সময়ে ২৫ লাখের বেশি স্বেচ্ছা প্রস্থান ও বহিষ্কার সম্পন্ন হয়েছে। তবে সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন, এ নীতিতে নিরপরাধ ভিসাধারীও টার্গেট হচ্ছেন।
এ বছর মার্চে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদেরও ভিসা বাতিল করা হয়। অক্টোবরে আরও কয়েকজন বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে হত্যাকাণ্ড উদযাপনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি, তাদের ভিসা দ্রুত বাতিল করা হবে। কিন্তু সমালোচকরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, এই নীতি প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন করতে পারে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
এমএস/