দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গ্রিনল্যান্ড সরকার জানিয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলের এই ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা ন্যাটোর অধীনেই নিশ্চিত করতে তারা উদ্যোগ জোরদার করবে এবং দ্বীপটি দখলের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো পরিকল্পনা তারা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের জোট সরকার জানায়, ন্যাটোর সব সদস্য দেশেরই, যুক্তরাষ্ট্রসহ, গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষায় যৌথ স্বার্থ রয়েছে। তবে তারা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ বা দখল মেনে নেবে না।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীনের প্রভাব ঠেকাতে কৌশলগত ও খনিজসমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় থাকা প্রয়োজন। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের রাজ্যের অংশ হলেও এটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
গ্রিনল্যান্ড সরকার বলেছে, ডেনিশ কমনওয়েলথের অংশ হিসেবে গ্রিনল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। ফলে দ্বীপটির প্রতিরক্ষা ন্যাটোর মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
এদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিরক্ষা ও মহাকাশবিষয়ক কমিশনার আন্দ্রিয়ুস কুবিলিয়ুস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিকভাবে গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা করে, তাহলে তা ন্যাটোর অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
এর আগে ২০১৯ সালে প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে গ্রিনল্যান্ড দখলের ধারণা সামনে আনেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সে সময় ওয়াশিংটনেই ব্যাপক বিরোধিতার মুখে পড়েন তিনি, এমনকি নিজ দলের ভেতর থেকেও আপত্তি ওঠে।
ডেনমার্ক শতাব্দীর পর শতাব্দী গ্রিনল্যান্ড শাসন করলেও ১৯৭৯ সাল থেকে অঞ্চলটি ধীরে ধীরে স্বাধীনতার পথে এগোচ্ছে। গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টে নির্বাচিত সব রাজনৈতিক দলই ভবিষ্যতে পূর্ণ স্বাধীনতার লক্ষ্যকে সমর্থন করে।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘আমরা একটি গণতান্ত্রিক সমাজ, আমরা নিজেরাই আমাদের সিদ্ধান্ত নেই। আমাদের সব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়।’
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/