দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারে ভীত নন; এ কথা ইরানের চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না বলে মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট।
তিনি জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গোপনে যে বার্তা পাঠাচ্ছে, তা তাদের প্রকাশ্য বক্তব্যের সঙ্গে ‘একেবারেই ভিন্ন’।
স্থানীয় সময় সোমবার (১২ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। খবর দ্য গার্ডিয়ান
লেভিট বলেন, ‘ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রকাশ্যে যা শোনা যাচ্ছে, আর প্রশাসন গোপনে যে বার্তা পাচ্ছে তার থেকে একেবারেই আলাদা। এবং আমি মনে করি, প্রেসিডেন্টের সেই বার্তাগুলো খতিয়ে দেখার আগ্রহ রয়েছে।’
তিনি ওই বার্তাগুলোর প্রকৃতি বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে আর বিস্তারিত জানাননি। লেভিট আরও বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের রাস্তায় মানুষ ‘হত্যা হতে’ দেখতে চান না।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন— তিনি তেহরানের রাস্তায় মানুষ নিহত হতে দেখতে চান না, এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এখন সেটাই দেখতে পাচ্ছি।’
এছাড়াও তিনি নিশ্চিত করেন, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরান সংক্রান্ত কূটনৈতিক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং ভবিষ্যতেও তা চালিয়ে যাবেন।
ফক্স নিউজকে ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ইরানের ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘প্রথম পছন্দ’ হলো কূটনীতি। তবে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রয়োজনে এবং যখন তিনি তা প্রয়োজন মনে করবেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি ও সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারে ভীত নন।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপে তিনি বলেন, ‘বিমান হামলা কমান্ডার-ইন-চিফের সামনে থাকা বহু বিকল্পের একটি। প্রেসিডেন্টের জন্য কূটনীতিই সবসময় প্রথম পছন্দ।’
তবে লেভিট বলেন, ট্রাম্প ‘প্রয়োজনে’ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ‘প্রাণঘাতী শক্তি ও সামরিক ক্ষমতা’ ব্যবহারে ভীত নন’।
তিনি যোগ করেন, ‘এ কথা ইরানের চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না।’ এসময় তিনি গত গ্রীষ্মে ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথা উল্লেখ করেন, যেগুলো ট্রাম্প সে সময় ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’ হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন। যদিও পরবর্তী গোয়েন্দা তথ্য ও স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, ক্ষয়ক্ষতি ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত।
এবি/