দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি এখনো প্রত্যাহার করেনি যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জানিয়েছে, বিমান হামলাসহ ‘বহু বিকল্প’ বিবেচনায় রাখা হয়েছে। দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ ও সরকারের কঠোর দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে এই অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন।
সোমবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেন, কূটনীতি সবসময়ই প্রথম পছন্দ হলেও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি টেবিলে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় সব বিকল্প খোলা রাখেন। বিমান হামলাও সেই বহু বিকল্পের একটি।’
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে বড় পরিসরে বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংঘর্ষে অনেক নিরাপত্তা সদস্যও নিহত হয়েছেন। তবে বিরোধী কর্মীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি এবং এর মধ্যে বহু বিক্ষোভকারী রয়েছেন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে গত জুনে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল। তখনও ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবির সঙ্গে ইরান সঙ্গতি না রাখলে আবারও হামলা হতে পারে। সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমনে সরকারের কঠোর পদক্ষেপকে সামনে রেখে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে ভিন্নমতও রয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা সামরিক হামলার বদলে কূটনৈতিক উদ্যোগ বা কম কঠোর বিকল্প বিবেচনার পরামর্শ দিচ্ছেন।
রোববার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান আলোচনার আগ্রহ দেখিয়ে যোগাযোগ করেছে। এ বিষয়ে ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ‘ইরানি সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য আর গোপনে যে বার্তা আমরা পাচ্ছি, তার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে প্রেসিডেন্ট দ্বিধা করবেন না, আর এই বিষয়টি ইরান ভালোভাবেই জানে।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএস/