দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চীনে এনভিডিয়ার উন্নতমানের এইচ২০০ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চিপ রপ্তানিতে সবুজ সংকেত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রতি চিপে ২৫% কর আদায় করা হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সময় সোমবার (৮ ডিসেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প। খবর রয়টার্স
খবরে বলা হয়, এই সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিনের সেই বিতর্কের সমাধান মিলল—চীনে চিপ বিক্রি করলে মার্কিন কোম্পানিগুলো কি বৈশ্বিক বাজারে এগিয়ে থাকবে, নাকি সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে চীনের প্রযুক্তি দ্রুত শক্তিশালী হবে। যদিও বেইজিং আগেই স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে, তাই এই অনুমতি বাস্তবে কতটা বিক্রিতে প্রভাব ফেলবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার পর বাজার-পরবর্তী লেনদেনে এনভিডিয়ার শেয়ার মূল্য বেড়েছে ২ শতাংশ। এর আগের দিনেও সিমাফর-এর প্রতিবেদনের পর শেয়ার ৩% বেড়েছিল।
ট্রাম্প জানান, তিনি বিষয়টি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে জানিয়েছেন এবং শি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, বাণিজ্য বিভাগ বিস্তারিত চূড়ান্ত করছে এবং এএমডি ও ইন্টেল-এর মতো অন্যান্য এআই চিপ নির্মাতার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। প্রস্তাবিত কর ১৫% থেকে বাড়িয়ে ২৫% করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্ত জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখা, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এআই–এ দেশকে এগিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্ল্যাকওয়ে ও রুবিন সিরিজ—যেগুলো আরও উন্নত—এ রপ্তানি চুক্তির আওতায় আসবে না।
হোয়াইট হাউসের মতে, তাইওয়ানে তৈরি এইচ২০০ চিপগুলো প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হয়ে নিরাপত্তা যাচাই হবে, এরপর অনুমোদিত চীনা বাণিজ্যিক গ্রাহকদের কাছে রপ্তানি করা যাবে।
এনভিডিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, বাণিজ্য বিভাগের যাচাইয়ে অনুমোদিত গ্রাহকদের কাছে এইচ২০০ সরবরাহ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সুফল বয়ে আনা সিদ্ধান্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন সম্ভব হলে এইচ২০০ কিনবে, কারণ এগুলো দেশীয় উৎপাদিত চিপের তুলনায় অনেক উন্নত। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের ধারণা, চীন এখনও মার্কিন চিপের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে সিদ্ধান্ত নিতে সময় নিতে পারে।
এবি/