দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ ও প্রতিরক্ষা দপ্তরের (পেন্টাগন) বিরুদ্ধে মামলা করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস। পেন্টাগনে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ও সূত্রভিত্তিক রিপোর্টিংয়ের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধিনিষেধের প্রেক্ষিতে এ মামলা করা হয়।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) শীর্ষস্থানীয় মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসির জেলা আদালতে একটি ফেডারেল মামলা করেছে তারা। যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।
উল্লেখ্য, অক্টোবর মাসে পেন্টাগন কভার করা সাংবাদিকদের একটি নতুন নিয়মাবলীতে সম্মতি দিতে বলা হয়, যাতে উল্লেখ ছিল যে তারা যুদ্ধমন্ত্রী হেগসেথের অনুমোদনবিহীন কোনো তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন না। অতিরিক্ত বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য ছিল সামরিক সদর দপ্তরের ভেতরে সাংবাদিকদের চলাচল সীমিত করা। এর ফলে অনেক শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের ক্রেডেনশিয়াল জমা দিয়ে দেয়।
পেন্টাগন ২১ পৃষ্ঠার ওই ফর্মে বলেছিল, যাতে তারা সম্মত হবে যে কোনো সরকারি কর্মচারীকে ‘গোপন সরকারি তথ্য সরবরাহ করে আইন লঙ্ঘন করতে উদ্বুদ্ধ’ করবে না, কিংবা কর্মচারীদের ‘অপ্রকাশিত’ সংস্থার তথ্য শেয়ার করতে উৎসাহিত করবে না।
এদিকে মামলার পর এক বিবৃতিতে নিউ ইয়র্ক টাইমসের মুখপাত্র চার্লি স্ট্যাডল্যান্ডার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পেন্টাগনের এই সিদ্ধান্ত রিপোর্টিংয়ের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রচেষ্টা। টাইমস এই অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করবে।
মামলায় নিউ ইয়র্ক টাইমস যুক্তি দিয়েছে, ‘নতুন নীতিমালা মুক্ত গণমাধ্যমের সুরক্ষা লঙ্ঘন করছে এবং সাংবাদিকদের সেই কাজটি করতে বাধা দিচ্ছে, যা সাংবাদিকরা সবসময় করে— সরকারি কর্মচারীদের প্রশ্ন করা এবং অফিসিয়াল বিবৃতির বাইরের তথ্য সংগ্রহ করা।
মামলায় আরও বলা হয়েছে, ‘বিভাগীয় কর্মকর্তাদের অনুমোদনবিহীন কোনো তথ্য রিপোর্ট করলে শাস্তি হতে পারে। যদিও সেই তথ্য সংগ্রহ পেন্টাগনের ভেতরে বা বাইরে যেখানেই হোক না কেন—এবং তথ্যটি গোপন বা অগোপন যা-ই হোক না কেন।
এছাড়াও যুক্তি দেওয়া হয়েছে, নীতিমালার এই পরিবর্তনগুলো স্বাধীন সাংবাদিক এবং সংবাদ সংস্থাগুলোর পেন্টাগন কাভারেজ সীমিত করতে তৈরি। তাদের প্রাপ্ত ও প্রকাশযোগ্য তথ্য সীমিত করে, নয়তো তাদের ওপর অসাংবিধানিক নীতি চাপিয়ে পেন্টাগন থেকে বের করে দিতে।
/এবি