দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা শুরু করবে। তবে এটি আন্ডারগ্রাউন্ড বা ভূগর্ভস্থ পরীক্ষা হবে কি না— সে বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো জবাব দেননি।
শুক্রবার ফ্লোরিডার পথে প্রেসিডেন্টের বিমানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘খুব শিগগিরই জানতে পারবেন। আমরা কিছু পরীক্ষা করব। অন্য দেশগুলো করে, তারা যদি করে, আমরাও করব— ঠিক আছে?’
এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ৩৩ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এটি মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী পারমাণবিক শক্তিধর দেশ চীন ও রাশিয়ার প্রতি একটি বার্তা।
ট্রাম্প হঠাৎ এই ঘোষণা দেন দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে যাওয়ার পথে, মেরিন ওয়ান হেলিকপ্টারে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি, এটি কি পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষা নাকি পারমাণবিক সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের উড়ান পরীক্ষা।
মালয়েশিয়া সফরে থাকা মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, পরীক্ষার এই সিদ্ধান্ত ‘দায়িত্বশীলভাবে প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখার একটি পদক্ষেপ’। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা দপ্তর শক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ শুরু করবে।
হেগসেথ বলেন, ‘আমরা খুব দ্রুত এগোচ্ছি।’
উত্তর কোরিয়া ছাড়া গত ২৫ বছরে কোনো দেশই পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষা চালায়নি। সর্বশেষ ২০১৭ সালে এ ধরনের পরীক্ষা চালায় পিয়ংইয়ং।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ডিনা টাইটাস শুক্রবার একটি বিল উত্থাপন করেছেন, যাতে পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষার পুনরায় শুরু নিষিদ্ধ করা এবং এর জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
টাইটাস, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক পরীক্ষার ইতিহাসবিষয়ক বইয়ের লেখকও, বলেন, নতুন করে এসব পরীক্ষা শুরু হলে রাশিয়া ও চীনও একই পথে হাঁটতে পারে এবং এতে ‘নেভাদার জনগণ আবারও বিষাক্ত তেজস্ক্রিয়তা ও পরিবেশ ধ্বংসের ঝুঁকিতে পড়বে’।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/