দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামাস মঙ্গলবার ফেরত দেওয়া দুই বন্দির মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন অ্যারি জিলমানোভিচ এবং মাস্টার সার্জেন্ট তামির আদার।
৮৫ বছর বয়সী জিলমানোভিচকে কিবুৎজ নীর ওজের তার বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়েছিল এবং ২০২৩ সালের ১৭ নভেম্বর হত্যা করা হয়। ৩৮ বছর বয়সী আদার নীর ওজের কমিউনিটি সিকিউরিটি স্কোডের সদস্য ছিলেন এবং ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় লড়াই করতে গিয়ে নিহত হন।
এই মরদেহ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে, চলতি মাসে মার্কিন মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তির প্রথম ধাপে হামাস ২৮ জন মৃত ইসরায়েলি বন্দির মধ্যে ১৫টির মরদেহ হস্তান্তর করেছে। মরদেহগুলোর কফিন রেড ক্রসের মাধ্যমে সেনাদের কাছে পৌঁছানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কফিনগুলোকে সামরিক ছাউনির মাধ্যমে ইসরায়েলে আনা হয়েছে এবং তেল আবিবে আনুষ্ঠানিকভাবে সনাক্ত করা হবে।
হামাস পূর্বে একটি মরদেহ ভুলবশত ফেরত দিয়েছে, কারণ মরদেহগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়েছিল। এছাড়া সব ২০ জন জীবিত বন্দিকেই শান্তি চুক্তির পরে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আইডিএফ বলেছে, হামাসকে চুক্তি অনুসারে বাকি মৃত বন্দিদেরও ফেরত দিতে হবে। ইসরায়েলে জনমনে ক্ষোভ রয়েছে, কারণ হামাস এখনও সকল মৃত বন্দিকে ফেরত দেয়নি। হামাস জানিয়েছে, তারা মরদেহগুলো ফেরত দিতে চেষ্টা করছে, তবে ইসরায়েলের হামলার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে খুঁজে পাওয়া কঠিন।
চুক্তির প্রথম ধাপে, ইসরায়েল ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্ত করেছে এবং ১,৭১৮ জনকে গাজা থেকে মুক্তি দিয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনী আংশিকভাবে সরে গেছে, ত্রাণ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যুদ্ধ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে সপ্তাহান্তে দু’পক্ষ একে অপরকে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করেছে।
সেপ্টেম্বরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান চালায়। ওই হামলায় হামাসের বন্দুকধারীরা দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ জন হত্যা করে এবং ২৫১ জনকে বন্দি করে। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তখন থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৬৮,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যা জাতিসংঘের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/