দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভায় একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুল ধসের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে পৌঁছেছে। এখনও আরও কজন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
ঘটনাস্থল আল খোজিনী ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলে শত শত শিক্ষার্থী, বেশিরভাগ কিশোর ছেলে, প্রার্থনার জন্য জড়ো হয়েছিল। স্কুলটি তখন সম্প্রসারণের কাজ চলছিল এবং দুই তলা ভবনটির ভিত্তি দুর্বল হওয়ায় এটি ধসে পড়ে।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা বলেছে, এটি ২০২৫ সালের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। উদ্ধারকারীরা আশা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ১৩ জনকে আজকের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
পরিস্থিতি তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। কিছু সরকারি কর্মকর্তা বলছেন, ভবনের ভিত্তি অস্থিতিশীল হওয়ায় এটি ধসে পড়েছে। মৃতদের মধ্যে অন্তত দুজনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হলেও পরে হাসপাতালে মারা যান।
আল খোজিনী হলো একটি ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক বোর্ডিং স্কুল বা পেসান্ত্রেন, যা সাধারণত নিয়মিত তদারকি ছাড়াই পরিচালিত হয়। এখনও জানা যায়নি, স্কুলটির সম্প্রসারণের জন্য সরকারি অনুমতি ছিল কি না।
উদ্ধার অভিযান জটিল ছিল, কারণ ধসে পড়া ভবনের মধ্যে খুব সীমিত খালি জায়গা থাকায় উদ্ধারকারীরা সহজে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেঁচে যাওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। ১৩ বছর বয়সী মুহাম্মদ রিজালুল কোয়িব বলেন, তিনি প্রথম ‘পাথরের পড়ার শব্দ শুনেছিলেন’, যা ক্রমেই জোরালো হয়। এরপর তিনি দরজার দিকে দৌড়ান এবং যদিও সেখান থেকে বের হতে সক্ষম হন, তবে ছাদের ধ্বংসাবশেষে আহত হন।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/