দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার সানাভিত্তিক হিউম্যানিটারিয়ান অপারেশনস কো-অর্ডিনেশন সেন্টার এ তথ্য জানায়।
সংস্থাটি জানায়, ১৩টি মার্কিন কোম্পানি, ৯ জন শীর্ষ কর্মকর্তা ও ২টি জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। এ পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার পাল্টা প্রতিক্রিয়া, যদিও এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে করা এক সমঝোতায় হুথিরা যুক্তরাষ্ট্র-সম্পৃক্ত জাহাজে হামলা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলবাশা মনে করেন, হুথিদের এই ঘোষণা যদি সত্যিই মার্কিন জাহাজ বা কোম্পানি-সম্পৃক্ত ভেসেল টার্গেট করার ইঙ্গিত হয়, তবে তা ওমানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করবে। ২০২৩ সাল থেকে গাজা যুদ্ধের প্রতি সংহতি জানিয়ে হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সম্পৃক্ত জাহাজে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। সর্বশেষ সোমবার তারা গালফ অব এডেনে একটি ডাচ কার্গো জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে, যাতে দুইজন আহত হন এবং জাহাজটি আগুনে পুড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য সংস্থা বলছে, গত বছর দেশটি পারস্য উপসাগর থেকে দৈনিক প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে, যা মোট আমদানির মাত্র ৭ শতাংশ—গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। বিশ্লেষক আলবাশার মতে, হুথিদের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবে তেল বাজারে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না, কারণ এ অঞ্চলের বাণিজ্যের বড় অংশই চীন, রাশিয়া, ইরান ও উপসাগরীয় কোম্পানির হাতে। তিনি বলেন, ‘এটি মূলত প্রচারণামূলক পদক্ষেপ—নিজেদের সমর্থকদের দেখানোর জন্য যে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে।’
এমএস/