দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে শত শত ইরানি নাগরিককে দেশ থেকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে ওয়াশিংটন।
এরই মধ্যে প্রথম দফায় প্রায় ৪০০ ইরানির একটি দল যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাতার হয়ে মঙ্গলবার তেহরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে আছেন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী ও অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীরা। সোমবার লুইজিয়ানার একটি বিমানবন্দর থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে যাত্রা করে তারা, যা কাতারে অবতরণের পর তেহরানগামী বিমানে স্থানান্তরিত হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এ প্রক্রিয়া রাজনৈতিক নয় বরং কনস্যুলার বিষয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক হোসেইন নুশাবাদি জানান, প্রথম ধাপে ১২০ জনকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, যাদের বেশিরভাগই মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান, যাতে ইরানি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্মান করা হয়। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সাধারণ নীতির কথা উল্লেখ করে সংস্থাটি বলেছে, যেসব মানুষ আন্তর্জাতিক সুরক্ষার প্রয়োজন তাদের এমন কোনো জায়গায় ফেরত পাঠানো উচিত নয়, যেখানে তারা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ফেরত পাঠানোদের কেউ কেউ দীর্ঘদিন আটক থাকার পর স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে রাজি হয়েছেন, আবার অনেকেই রাজি নন। এর মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছেন, যাদের বৈধ বসবাসের অনুমতি ছিল কিন্তু মার্কিন অভিবাসন দপ্তরের সিদ্ধান্তে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর রেকর্ড গড়তে চাইলেও এখন পর্যন্ত সেই লক্ষ্য অর্জনে হিমশিম খাচ্ছে। এর আগে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পানামার সঙ্গেও অভিবাসন ফেরত পাঠানোর চুক্তি করেছিল ওয়াশিংটন।
এমএস/