দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়া এক রাতের ব্যবধানে ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আবাসিক ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা। শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া প্রায় ৫৮০টি ড্রোন ও ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্র, কারখানা ও আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে। এর মধ্যে ইউক্রেনীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৫৫২টি ড্রোন ও ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করে।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘এ ধরনের হামলা সামরিক প্রয়োজনের জন্য নয়, বরং বেসামরিক মানুষকে আতঙ্কিত করে অবকাঠামো ধ্বংস করাই রাশিয়ার মূল উদ্দেশ্য।’ তবে রাশিয়া বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ডনিপ্রো শহরে একটি বহুতল ভবনে ক্লাস্টার মিসাইল আঘাত হানলে একজন নিহত ও অন্তত ২৬ জন আহত হন। এছাড়া চেরনিহিভ ও খমেলনিতস্কি অঞ্চলে আরও দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কিয়েভের এক বাসিন্দা ইউলিয়া চিস্তোক্লেতোভা বলেন, ‘ড্রোনের শব্দ যত কাছে আসছিল, তত ভয় পাচ্ছিলাম। সন্তানকে নিয়ে খুব আতঙ্কে ছিলাম।’
রাশিয়ার হামলার জবাবে ইউক্রেনও রাতেই পাল্টা ড্রোন হামলা চালিয়ে সারাতভ ও সামারা অঞ্চলের দুটি তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটায়।
জেলেনস্কি জানান, ‘আমাদের ড্রোন আছে, উৎপাদনের ক্ষমতাও আছে। যত বেশি ব্যবহার করতে পারব, রাশিয়া তত বেশি জ্বালানি সংকটে পড়বে।’
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য দাবি করেছে, তারা সাফল্যের সঙ্গে ইউক্রেনের সামরিক শিল্প কারখানায় হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে, হামলার কারণে পশ্চিম ইউক্রেনের আকাশসীমা হুমকির মুখে পড়ায় শনিবার ভোরে পোল্যান্ড ও ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়।
এমএস/