দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েল ও আরব বিশ্বের কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম আব্রাহাম অ্যাকর্ডস। বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে কাতারে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছে কাতার। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনার আয়োজক ছিল।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাতারে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর নেতারা এক সম্মেলনে মিলিত হচ্ছেন ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে।
২০২০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদে প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। এরপর একই পথে হাঁটে মরক্কো ও সুদান। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এ প্রক্রিয়ায় মূল ভূমিকা রাখেন।
তবে ফিলিস্তিনি নেতারা এই চুক্তিকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখেন, কারণ এতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্নটি উপেক্ষিত হয়।
চুক্তির সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। ইসরায়েল ও আমিরাত এর পর থেকে অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ালেও সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন নিয়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই চাইছে, সৌদি আরবসহ আরও আরব দেশকে এই চুক্তির আওতায় আনতে। কিন্তু রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়েছে—ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।
২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের গাজায় অভিযান শুরু হলে এবং সেখানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হলে আরব দেশগুলোর জনমত আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কও দূরত্বে ঠেলে গেছে।
তবু যুক্তরাষ্ট্র—ট্রাম্প ও বাইডেন উভয়ের সময়েই—চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আরব বিশ্বের আরও দেশকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যুক্ত করার। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, বেশি দেশ যুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি আসবে।
খবরে জানা গেছে, ওয়াশিংটন এখন আজারবাইজানসহ কিছু মধ্য এশীয় মুসলিম দেশের সঙ্গেও আলোচনা করছে, যাতে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে এই চুক্তিতে যোগ দেয়।
এমএস/