দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নাকের ডগায় বসে এত বড় হামলা চালাল হামাস কিন্তু কিছুই জানল না ইসরায়েলি গোয়েন্দারা। ইসরায়েলে শনিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া হামাসের হামলার পর এমন প্রতিক্রিয়াই এসেছে।
কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী কড়া নিরাপত্তার ইসরায়েলি সীমান্ত বেষ্টনী ভেদ করে দেশটিতে প্রবেশ করে। এছাড়া গাজা থেকে অন্তত ৫ হাজার রকেট হামলা চালায়।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত, অন্য দেশে অপারেট করা গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা কেউই এই হামলার ব্যাপারে আগে থেকে ইঙ্গিত দিতে ব্যর্থ হয়।
আর যদিওবা তারা এই হামলার ব্যাপারে অবগত ছিল, কিন্তু তারা সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে সক্ষম এবং আর্থিকভাবে স্বচ্ছল গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে ইসরায়েলের।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গ্রুপ ছাড়াও লেবানন, সিরিয়া ও অন্য দেশে বিভিন্ন গ্রুপের ভেতর তাদের তথ্যদাতা এবং এজেন্ট রয়েছে। এর ফলে অতীতে সশস্ত্র গ্রুপের নেতাদের আততায়ী হামলায় সফল হয়েছে ইসরায়েল। কারণ তারা এসব নেতারা কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন সে ব্যাপারে আগে থেকেই জানত।
মাঝে মাঝে ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়ে এসব নেতাকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। তাদেরই কোনো এজেন্ট টার্গেট ব্যক্তির গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকার বসানোর ড্রোন হামলা অথবা মোবাইল ফোনের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে দেশটির গোয়েন্দারা।
গাজার সঙ্গে ইসরায়েলের উত্তেজনাপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ক্যামেরা, গ্রাউন্ড মোশন সেন্সর এবং নিয়মিত সামরিক টহলদারি রয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া একটি ‘স্মার্ট ব্যারিয়ার’ হিসেবে কাজ করার কথা। এই বেড়া এজন্যই দেওয়া হয়েছে, যাতে এ ধরনের হামলা ঠেকানো যায়।
কিন্তু হামাসের যোদ্ধারা বুলডোজার দিয়ে ওই কাঁটাতারের বেষ্টনী অতিক্রিম করতে সক্ষম হয়েছে। আবার প্যারাগ্লাইডার এবং সমুদ্রপথেও ইসরায়েলে প্রবেশ করেছে হামাসের যোদ্ধারা।
এ ধরনের সমন্বিত, জটিল হামলার জন্য যে পরিমাণ রকেট এবং গোলাবারুদ প্রয়োজন তা ইসরায়েলের নাকের ডগায় বসেই মজুত করেছে হামাস। এজন্য তাদের জন্য চরম মাত্রায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছিল।
এইউ