দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিনিয়র সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতিতে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে এর জবাব হবে অত্যন্ত শক্তিশালী, তাৎক্ষণিক ও কার্যকর। এ ক্ষেত্রে ভৌগোলিক কোনো সীমাবদ্ধতাও থাকবে না।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে আগের দফাগুলোতে যেসব স্থানে হামলা চালানো হয়েছিল, তার বাইরেও হামলা চালাতে পারে দেশটি।
খামেনির বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধ আবার শুরু হলে কখন এবং কী শর্তে তা শেষ হবে, সেটি নির্ধারণ করবে ইরান। অর্থাৎ, কূটনৈতিক সমঝোতার শর্তও তেহরানই নির্ধারণ করতে চায়।
তিনি আরও বলেছেন, এই যুদ্ধ ১৯৮০ সালে শুরু হওয়া ইরান-ইরাক যুদ্ধেরই ধারাবাহিকতা। তাঁর ভাষায়, সেই সময়ের শত্রু ও হুমকিগুলো এখনো বিদ্যমান।
একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুরো জাতিকে যুদ্ধের জন্য সংগঠিত করার কথা বলেছেন খামেনি। এ ক্ষেত্রে আধাসামরিক বাহিনী বাসিজের ভূমিকায়ও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। ইরানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এসব বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, ইরান শুধু বাইরের আক্রমণ মোকাবিলার জন্যই নয়, দেশের ভেতরের বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধেও প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থাৎ, সম্ভাব্য সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএস/