দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আটক থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ করেছেন কক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপকে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিকে ‘ভারতের জন্য লজ্জা’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে মোদিকে ‘কাপুরুষ’ ও ‘দাঙ্গাবাজ’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন দিপকে।
রোববার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দিপকে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য লজ্জা। এই দেশ কখনো এর চেয়ে বড় কাপুরুষ ও দাঙ্গাবাজ দেখেনি।’
এর আগে শনিবার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দিপকে ও সিজেপির দুই সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। প্রায় ২৪ ঘণ্টা আটক থাকার পর রোববার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন। তবে এক বছরের মধ্যে শান্তি ভঙ্গ করা যাবে না, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির আইনবিষয়ক প্রধান।
শনিবার দিল্লিতে অবতরণের কয়েক মিনিট পর বিমান থেকেই তাদের আটক করা হয়। ফ্লাইট এআই ২৪২৮ সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে অবতরণ করে। পরে বিমানবন্দরের আকাশপথ পরিচালনা নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের নির্দেশে বিমানটিকে আর১২ নম্বর দূরবর্তী অবস্থানে নেওয়া হয় বলে এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
এদিকে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রোববারও বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। শনিবার দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের পর দলটি আবারও যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। দলটির নেতা অভিজিৎ দিপকে আটক হওয়ার পর আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা অজিঙ্কা শিন্ডে বলেছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিন্ডে বলেন, ‘সরকার ভেবেছিল অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করার পর আমরা পিছু হটব। কিন্তু তা হবে না। জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’
রোববার দিল্লির কেন্দ্রীয় অংশে নিরাপত্তা জোরদার, যন্তর মন্তর বন্ধ, রাজধানীর সীমান্তে ব্যারিকেড এবং ৩০টি স্থানে যান চলাচল অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে পুলিশ। শনিবার আনুমানিক সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, মেট্রো ও ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ তুলে করা একটি আবেদনের শুনানির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
/অ