দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পবিত্র মক্কার আকাশে হঠাৎই হামলার শঙ্কা! সৌদি আরবের দাবি, মক্কা অভিমুখে ছোড়া হয়েছে ড্রোন। এর জেরে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মক্কায় বিমান হামলার সতর্কতা জারি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে সেই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে হুথিরা। তাহলে মক্কার দিকে ড্রোন ছুড়ল কারা? এ প্রশ্নের উত্তর না মিলতেই সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিও করেছে হুথিরা।
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পবিত্র নগরী মক্কায় বিমান হামলার সতর্কতা জারি করেছে সৌদি আরব। ১৫ সেপ্টেম্বর দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি শহরের পাশাপাশি মক্কা, জেদ্দা ও তায়েফ অঞ্চলেও আকাশপথে সম্ভাব্য হামলার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। হঠাৎ এমন সতর্কতায় তৈরি হয় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা। তবে কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানিয়ে সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এরপরই ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুথিদের বিরুদ্ধে পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে ড্রোন ছোড়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ১৫ সেপ্টেম্বর মক্কার দিকে এগিয়ে আসা একটি শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত করে পবিত্র নগরীর সংরক্ষিত আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ভূপাতিত করা হয়। তবে এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হুতি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ড্রোনটি মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল। মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদ এবং মুসল্লিদের নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ঘটনার পর মক্কা, জেদ্দা ও তায়েফে স্বল্প সময়ের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়। পরে মক্কায় বিপদের ঝুঁকি কেটে গেছে বলে জানায় সৌদি সিভিল ডিফেন্স। নাগরিকদের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ভিড় ও ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।
তবে হুতিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হিজাম আল-আসাদ সৌদি অভিযোগকে ভিত্তিহীন প্রচারণা বলে দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এর মধ্যেই ইয়েমেনের মারিবে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিও করেছে হুতিরা। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবি নিশ্চিত করেনি।
এদিকে হুতিদের হামলার আশঙ্কার মধ্যে লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে মিসরের সমর্থন চেয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ১৫ সেপ্টেম্বর কায়রোতে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসির সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশ এ বিষয়ে অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
কেএম