দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সুচিত্রা সেন। নামেই যেন দুরন্ত এক জাদু রয়েছে। এই জাদুকাঠির ছোঁয়া পেলেন দর্শনা বণিক। সিনেমার পর্দায় এবার তাকে দেখা যাবে মহানায়িকার ভূমিকায়। তাতেই উচ্ছ্বসিত অভিনেত্রী। সুচিত্রা সেনের লুকে দর্শনার একটি ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে।

কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় তৈরি ‘যমালয়ে জীবন্ত ভানু‘ সিনেমায় অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। রুপালি পর্দার অবস্মিরণীয় অভিনেতা ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবি। মলাটরোলে অভিনয় করছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।
এ সিনেমায় “সাড়ে চুয়াত্তর“ সিনেমার জনপ্রিয় দৃশ্য আবারো দেখানো হয়েছে। ‘মাসিমা, মালপো খামু‘ বাংলা সিনেমার দর্শকদের কাছে এই সংলাপের জাদু আজও অমলিন। এ দৃশ্য দিয়েই শুরু হয়েছে ‘যমালয়ে জীবন্ত ভানু‘ সিনেমার প্রথম দৃশ্য।
সংবাদমাধ্যমকে দর্শনা জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি দার্জিলিংয়ে ছিলেন। তখনই পরিচালক কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের ফোন আসে। তিনি সুচিত্রা সেনের ভূমিকায় অভিনয় করার প্রস্তাব দেন দর্শনাকে। সুচিত্রা সেনের ভূমিকায় অভিনয়! দর্শনা যেন নিজের কানকেই বিশ্বাস করে উঠতে পারছিলেন না। সবটা শোনার পর আর না করার অবকাশই ছিল না।
কলকাতায় ফিরেই আবারও ‘সাড়ে চুয়াত্তর‘ দেখে ফেলেন অভিনেত্রী। তবে সুচিত্রা সেনের মুখের সঙ্গে তাঁর মুখের মিল নেই। তা নিয়ে একটু হলেও চিন্তা ছিল দর্শনার। আর তার এই মুশকিল আসান করেন মেকআপ শিল্পী সোমনাথ কুণ্ডু। শিফন শাড়ি, খোলা চুল, মাথায় লেসের ফিতে দিয়ে দর্শনাকে তিনি করে তোলেন ‘সুচিত্রা সেন‘। নতুন এই ছবির প্রযোজনা করছেন সুমনকুমার দাস। সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজা নারায়ণ দেব।
কলকাতার অভিনেত্রী দর্শনা বণিকের কর্মজীবন শুরু হয় একজন মডেল হিসেবে। এরপর আসেন অভিনয় জগতে। তিনি অরিন্দম শীলের পরিচালনায় ‘আসছে আবার শবরে‘ অভিনয় করে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশী সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন। তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী সিনেমা ছিলো ‘অপারেশন সুন্দরবন‘
আর অন্যদিকে, অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন মূলত বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তার দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমেই তিনি বেঁচে আছেন ভক্তদের মনে। সুচিত্রা সেনই বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম অভিনেত্রী, যিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। তিনি উত্তম কুমারের বিপরীতে অভিনয় করেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হলো, ‘সাত পাকে বাঁধা‘, ‘দেবদাস‘, ‘হারানো সুর‘, ‘দ্বীপ জেলে যাই‘।
এস