দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিযুদ্ধে নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনে বহুল ব্যবহৃত কিছু বিনামূল্যের চিপ নিয়ে যেন মার্কিন কোম্পানিগুলো কাজ না করে সেজন্য বাইডেন প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। এমন পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিশিল্পের পারস্পরিক সহযোগিতাকে ব্যাহত করতে পারে। খবর রয়টার্স’র।
আরআইএসসি-ভি বা ‘রিস্ক ফাইভ’ একটি ওপেনসোর্স প্রযুক্তি। এটি ব্রিটিশ সেমিকন্ডাক্টর ও সফটওয়্যার ডিজাইন কোম্পানি আর্ম হোল্ডিংসের তৈরি দামি চিপের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে। রিস্ক ফাইভ স্মার্টফোন থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য উন্নত প্রসেসর তৈরির মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত চার জন আইনপ্রণেতা জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রিস্ক ফাইভ চিপের রপ্তানির বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনকে আরও সচেতন হতে চাপ দিচ্ছেন। এই আইনপ্রণেতাদের তালিকায় রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিও এবং ডেমোক্রেটিক সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারও রয়েছেন।
মার্কিন কোম্পানিগুলোর মধ্যকার উন্মুক্ত সহযোগিতার সংস্কৃতির সুযোগ নিয়ে নিজ দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে এগিয়ে নিতে পারে চীন, এমন উদ্বেগ আইনপ্রণেতাদের। এতে চিপ তৈরির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ক্ষুণ্ন হতে পারে। আবার চীন এটাকে কাজে লাগিয়ে সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নও করতে পারে। তাদের উদ্বেগ থেকে এটা স্পষ্ট, আরআইএসসি-ভি চিপ তৈরির ক্ষেত্রে এই প্রথম বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ল মার্কিন কোম্পানিগুলো।
চায়না হাউস সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান মাইক গ্যালাঘার এক বিবৃতিতে বলেন, রিস্ক ফাইভ প্রযুক্তি নিয়ে কোনো মার্কিন নাগরিক বা কোম্পানি চীনের সঙ্গে কাজ করতে গেলে তাদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অতিরিক্ত লাইসেন্স নেওয়ার বিধান করতে হবে।
গত বছর চীনে প্রযুক্তি রপ্তানির ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। সেই ধাক্কা কাটতে না কাটতেই এবার রিস্ক ফাইভ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। আর গত বছরের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা চলতি মাসেই হালনাগাদ করবে বাইডেন প্রশাসন।
এইউ