দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় দুই শ্যুটারের একজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মোসাব্বির হত্যাকাণ্ডে দুজন শ্যুটার সরাসরি অংশ নেন। তাদের একজন জিনাত, তার বাবার নাম আব্দুর রশিদ। হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়কারী ছিলেন বিল্লাল হোসেন, তার বাবার নাম শহিদুল্লাহ। এছাড়া শহিদুল্লাহর ভাই আব্দুল কাদের ঘটনার পর আসামিদের পালাতে সহায়তা করেন এবং তাদের মোবাইল ফোন পরিবর্তনে সহযোগিতা করেন।
ডিবি প্রধান জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন আলামত যাচাই করে আসামিদের শনাক্ত করা হয়। এরপর গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিরা ঘটনাস্থল রেকি করেছিল। এ কাজে রিয়াজ নামে একজন সহযোগিতা করে, তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শ্যুটার জিনাত ও বিল্লাল রাজধানীর মহাখালী এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের কাছ থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এমএস/