দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জামালপুরে পৃথক নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এসব রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আলমের ছেলে ছানোয়ার হোসেন নাজমুল (৪২), বকশীগঞ্জ উপজেলার বিনন্দেরচর গ্রামের বিল্লাহ হোসেনের ছেলে মোখলেছ (২০) ও একই এলাকার নূর ইসলামের ছেলে মমিন মিয়া (২৯)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, ২০১২ সালের ২২ মার্চ রাতে জামালপুর পৌর শহরের পশ্চিম নয়াপাড়া এলাকা থেকে ছানোয়ার হোসেন নাজমুল ও তাঁর সহযোগী বুলবুলসহ কয়েকজন এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করেন। পরে ছানোয়ার ওই কলেজছাত্রীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার তিন দিন পর ভুক্তভোগী জামালপুর সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় ছানোয়ার হোসেন নাজমুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ২৪ জুন গভীর রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার বিনন্দেরচর এলাকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মিন্টু, মোখলেছ ও মমিন মিয়াসহ তাঁদের সহযোগীরা অপহরণ করেন। এ ঘটনায় ওই বছরের ২ জুলাই ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
এ মামলায় মোখলেছ ও মমিন মিয়াকে পৃথক দুটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনায় নাবালক আসামি মিন্টু মিয়াকে ১০ বছরের আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট জামালপুর সদর উপজেলার ভাটি গজারিয়া এলাকার ইমামুল হকের ছেলে সাজমুল (২২) একই এলাকায় দাদার বাড়িতে বেড়াতে আসা এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুকে মোবাইল দেখানোর কথা বলে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে জামালপুর থানায় মামলা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাজমুলকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, এসব মামলায় মোট পাঁচজন আসামি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ছানোয়ার হোসেন নাজমুল পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
এমএস/