দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার ত্রাণের আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অপেক্ষা করেও কোনো সহায়তা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছেন। ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্না ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে উপজেলা পরিষদ এলাকা।
রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। উপজেলার বৈরাতী এলাকার তিস্তা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর পরিবারের নারী, পুরুষ ও শিশুরা সকাল থেকে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, তিস্তার ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে তাঁরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। দিনমজুরি করে কোনোভাবে সংসার চললেও বর্তমানে কাজ না থাকায় চরম খাদ্য সংকটে দিন কাটছে। এক প্যাকেট শুকনো খাবারের আশায় তাঁরা সকাল থেকে উপজেলা পরিষদে অবস্থান করছিলেন।
তাঁরা জানান, ত্রাণ সহায়তার আশায় গত বুধবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কাছে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিয়েছিলেন। সেই আশাতেই রোববার সকালে উপজেলা পরিষদে আসেন তাঁরা। কিন্তু সকাল গড়িয়ে বিকেল হলেও ত্রাণ বিতরণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় ক্লান্ত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। সঙ্গে থাকা ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্নায় তৈরি হয় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, তাঁরা কেন উপজেলা পরিষদে এসেছেন, তা তাঁর জানা নেই। তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভায় ছিলেন। পরে কার্যালয়ে ফিরে তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন।
ইউএনও আরও বলেন, কাউকে ওই দিন উপজেলা পরিষদে ডাকা হয়নি এবং কোনো ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিও ছিল না। কেউ তাঁদের ডেকে থাকলে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএস/