দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে গত ১০ দিন ধরে সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রলার ও সাধারণ নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা, নিত্য প্রয়োজনীয় সওদা ও জরুরী প্রয়োজনে মূল ভুখন্ড টেকনাফে এসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের শতাধিক বাসিন্দা।
টেকনাফের বিভিন্ন হোটেল ও আত্মীয়ের বাড়িতে দীর্ঘ দিন আটকে থাকার পর,তীব্র আর্থিক সংকট ও ঘরে ফেরার আকুলতায় শেষমেশ নিরুপায় হয়ে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েছেন এই অসহায় মানুষগুলো। সেই সাথে ট্রলারে করে ক্ষতিগ্রস্থ ৩শ পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে টেকনাফ পৌরসভা কায়ুকখালী ঘাট থেকে অন্তত ৮০ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী ও ৩৯ জন শিশুসহ ১৫৯ জন যাত্রী নিয়ে ৩টি কাঠের সার্ভিস ট্রলার সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বর্তমানে সেন্টমার্টিন ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যে কোনো মুহূর্তে উত্তাল সাগরের ঢেউ ট্রলারটিকে গ্রাস করতে পারে জেনেও, অনেকটা ভাগ্যের ওপর ভরসা করেই ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিপজ্জনক নৌপথ পাড়ি দিচ্ছেন তারা। একই ট্রলারে করে ৩শ পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ করা হয়েছে। দ্বীপে বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
সেন্ট মার্টিন ইউপির সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান খাঁন জানিয়েছেন, ১৫৯জন যাত্রী নিয়ে ৩টি ট্রলার দুপুর ২টার দিকে নিরাপদে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে এসে পৌঁছেন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.অনীক চৌধুরী জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক বঙ্গোপসাগরের ৩নং সর্তক সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাগর অনেকটা ঠান্ডা হওয়ায় আটকে পড়া সেন্ট মার্টিনের মানুষদের ট্রলারে করে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি ট্রলারে করে দ্বীপে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩শ পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছেন।
কেএম