দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হামিদুল আলম মিলনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তার স্ত্রী শাহাজাদী আলমের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
বগুড়া কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতারণার মামলায় আদালতের নির্দেশে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুল আলম মিলনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ এবং একে অপরকে সহযোগিতার অভিযোগে হামিদুল আলম মিলন ও তার স্ত্রী শাহাজাদী আলমকে আসামি করে মামলা (নং ২১৭৩/২৫; দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/১০৯ ধারায়) দায়ের করা হয়। বাদী জাহেদুর রহমান তোফা আপিল করলে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে শুনানি শেষে আদেশ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, ভূমি মালিকের দেওয়া পুরোনো আমমোক্তারনামা বাতিল করে ‘মেধা এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে নতুন আমমোক্তারনামা (দলিল নং ৩২৯৭) ইস্যু করা হয়। ওই দলিল অনুযায়ী নালিশি জমিতে ‘মেধা শাহ ক্যাসেল’ নামে বহুতল ভবন নির্মাণের দায়িত্ব নেন মিলন।
নির্মাণের সময় প্রকল্প সংক্রান্ত এক সাক্ষীকে যিনি বাদীর শ্যালক এবং একাধিক শিল্প কারখানার মালিক একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মিলন। সকাল ১০টার দিকে ওই সাক্ষীর অফিসে উপস্থিত কয়েকজনের সামনে প্রতি বর্গফুট ১,৫০০ টাকায় ফ্ল্যাট হস্তান্তরের বিষয়ে লিখিত চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেন তিনি। একই সময় মিলন এক লাখ টাকা গ্রহণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
তবে চুক্তিতে সাক্ষী হিসেবে মিলনের স্ত্রী শাহাজাদী আলমকে স্বাক্ষরের অনুরোধ করা হলে তিনি তা করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে প্রতিশ্রুত ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মিলন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
যে আই