দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং মোবাইলফোনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ এপ্রিল) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার নিজগাবী গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার নিজগাবী গ্রামের মো. শাহজাহান মেম্বারের ছেলে আজিজুল ইসলাম (১৮), দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রফিক (২৪) এবং মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সাকিব মিয়া (২৬)। তারা সবাই রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন।
মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্র জানায়, ১৬ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরীকে বিয়ের কথা বলে মোহনগঞ্জ শহরের আলোকদিয়া সেতুর ওপর ডেকে নিয়ে যান আজিজুল। পরে আজিজুল আর রফিক মিলে ওই কিশোরীকে ধর্মপাশা উপজেলার নিজগাবী গ্রামের সামনের হাওরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন তারা। এসময় ধর্ষণের ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে।
কিছু সময় পর সাকিব সেখানে যান। পরে সাকিবও তাকে ধর্ষণ করেন। তারা আরও জানায়, ধর্ষণ শেষে ভোরে ওই কিশোরীকে তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যান ওই তিনজন। সেইসঙ্গে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ওই কিশোরীকে হুমকি দেন তারা।
এ ছাড়া ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। পরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলেন ভুক্তভোগী। ঘটনা শুনে মঙ্গলবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তার বড় ভাই।
অভিযুক্ত আজিজুল ইসলাম জানান, ওই মেয়েকে সেদিন রাতে তুলে নিয়ে যান। পরে হাওরে নিয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণ করেন।
তিনি বলেন, ‘ধর্ষণ করে মজার জন্য আমরা ভিডিও করি। পরে ডিলেট করে দিয়েছি।’
এদিকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা চেয়ে মামলার বাদী বলেন, এটি একটি জঘন্য ঘটনা। এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অ্যাকশন নিয়েছে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েই দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছি। অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাইয়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
/অ