দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ড ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উত্তর প্রদেশ থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার রাতেই তাদেরকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ভবানী ভবনে রাতভর জেরার পর সোমবার (১১ মে) তাদের বারাসত আদালতে তোলা হবে।
এনডিটিভি লিখেছে, কলকাতার কাছে বালিতে টোল বুথে ‘আক্রমণকারীদের’ মোবাইল থেকে পেমেন্ট (ইউপিআই) ট্র্যাক করার পর পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
তবে আনন্দবাজার, দ্য ওয়ালসহ কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, রোববার গভীর রাতে উত্তরপ্রদেশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের কলকাতায় এনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সদরদপ্তর ভবানী ভবনে রাতভর জেরা করা হয়।
গত ৬ মে রাতে কলকাতা থেকে কিলো বিশেক দূরত্বে মধ্যমগ্রামে সড়কে খুব কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলি করা হয় চন্দ্রনাথ রথকে। বুকে ও হাতে গুলি লাগে তার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ হত্যাকাণ্ড যখন ঘটে, তখনও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেননি শুভেন্দু। বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের পরপরই এ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে।
তদন্তকারীদের বরাতে দ্য ওয়াল লিখেছে, অত্যন্ত ‘ঠান্ডা মাথায়’ এবং পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল। চন্দ্রনাথের গতিবিধি রেকির পাশাপাশি গাড়ির ঠিক কোন জায়গায় তিনি বসেছিলেন তাও নজরে ছিল আততায়ীদের।
পুলিশ সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার লিখেছে, অন্তত এক-দেড় মাস আগে থেকে চন্দ্রনাথকে খুনের ছক কষা হয়েছিল। সেই সময়ে তাকে হত্যা করার মতো কারণ কার কার থাকতে পারে, কারো সঙ্গে চন্দ্রনাথের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঘটনার দিনই বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। তাতে যে নম্বর প্লেটটি রয়েছে সেটি ভুয়া বলে পুলিশ জানিয়েছে। হামলাকারীদের দুটি বাইকও উদ্ধার করা হয়, সেগুলোর নম্বরপ্লেটও ভুয়া বলে মনে করছে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি
কেএম