দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঘন কুয়াশার কারণে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী প্রিন্স আওলাদ–১০ ও বরিশাল থেকে ঢাকাগামী কীর্তনখোলা–১০ লঞ্চের মুখামুখি সংঘর্ষ হয়েছে। মেঘনা নদীর হরিণা নামক স্থানে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের ঘটনায় লঞ্চ দুটির বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে উভয় লঞ্চের কোনো যাত্রী হতাহত হয়নি।
এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের যাত্রী মনির হোসেন বলেন, রাত সোয়া ২টা থেকে আড়াইটার দিকে তাদের বহনকারী লঞ্চটি মেঘনা নদী দিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। আর ওই সময় নদীতে এত ঘন কুয়াশা ছিল যে, একহাত সামনেও দেখা যাচ্ছিল না। এর মাঝেই হঠাৎ বরিশালগামী এমভি প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের অগ্রভাগের সঙ্গে আমাদের বহনকারী এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের অগ্রভাগের বিকট শব্দে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় লঞ্চের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় ও যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে লঞ্চের চালক কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চকে তাৎক্ষণিক নদী তীরে নিয়ে ভাসিয়ে রাখে।
প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের যাত্রী মেহেদি হাসান বলেন, বিকট শব্দ আর লঞ্চ দুলে ওঠার আতঙ্কে ঘুম থেকে ওঠে কেবিন থেকে বের হয়ে দেখি ঘন কুয়াশা। একহাত সামনেও কিছু দেখা যাচ্ছে না। পরে লঞ্চের সামনের অংশে গিয়ে দেখি কীর্তনখোলা-১০ নামে অন্য একটি লঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যান্টারের নিচের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আওলাদ-১০ লঞ্চের চালক সেটিকে চরে তুলে নিয়ে যায়। শুনেছি নিচের একটি অংশ থেকে পানিও লঞ্চের ভেতরে প্রবেশ করছিল। তাই ঝুঁকি এড়াতে লঞ্চটি আর চালানো হয়নি। সকাল ৯টার দিকে এমভি শুভরাজ-৯ নামে একটি লঞ্চ ঘটনাস্থল থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌযান কর্মকর্তা বশির আলী বলেন, মেঘনা নদীর হিজলা এলাকার কাছাকাছি দুর্ঘনাটি ঘটেছে। তবে যাত্রীবাহী লঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যাত্রীরা নিরাপদে রয়েছেন বলে আমি জেনেছি।
আরএ