দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে সাঘাটা উপজেলার বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলাজুড়ে।
জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও ঘুড়িদহ ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিফের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা লাঠি হাতে মিছিল বের করে। মিছিলটি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়।
এদিকে, হামলার ঘটনাটি পরিকল্পিত দাবি করছেন সাঘাটা উপজেলা যুব বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বী। তিনি বলেন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে করা মিছিলের পেছন থেকে হামলা করে বিএনপি নেতা তুলিফসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা। হামলায় অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত শফিকুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, আশাদুল ইসলামসহ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। শুধু হামলাই নয়, নেতাকর্মীদের ১৮টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এর আগেও জামায়াতের এক কর্মীকে মারধর করে বিএনপির নেতারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও ঘুড়িদহ ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিফ। তিনি বলেন, লাঠি হাতে জামায়াতের মিছিলের সময় সড়কের পাশে নেতাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই তারা আমাদের ওপর হামলা করে এবং ২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। হামলায় আমিসহ ১০ জন আহত হয়েছে।
অ