দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর ও সদ্য সাবেক পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদসহ ৪২ জন দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি কার্যালয়ের কেয়ারটেকার মোস্তফা আকন (৩৬) বাদী হয়ে রোববার দুপুরের দিকে সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।
এ মামলায় আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতবৃন্দর মধ্যে আরও রয়েছেন, জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শোয়েব, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হুমায়ুন চৌধুরী, জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শহীদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্যরা। সকল আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় বলা হয়, গত ২০২৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে বাদী মোস্তফা আকন কলেজ রোডস্থ বনানী এলাকায় বিএনপি কার্যালয়ে গেলে আসামিরা তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু বাদি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা তাকে মারধর করে এবং তার সঙ্গে থাকা ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং এক সপ্তাহ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আসামিদের হুমকি-ধমকীতে প্রাণনাশের ভয়ে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মোহাম্মদ জসীম জানান, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারধরের মামলা রুজু হয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলার তদন্ত চলছে।
এদিকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. হাসান সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ভূঁইয়াসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রোববার দুপুরে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট প্রথম আমলী আদালতে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। এ মামলাটি দায়ের করেন শহরের সদর রোড এলাকার ব্যবসায়ী মেসার্স রশ্মি ইলেকট্রনিক্সের মালিক রেজাউল হক বাচ্চু। আসামিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উত্থাপন করেন বাদী।
এ ব্যাপারে সাবেক পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোয়েব বলেন, ‘পটুয়াখালী বাসির সুখে দুঃখে, শহরের উন্নয়নে এবং সকল ভালো কাজে আমরা তিনজন ছিলাম এখনও আছি। আমাদের ভালো কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি গ্রুপ হয়রানির জন্য মামলা করেছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা সব সময় পটুয়াখালী জেলার সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছি এবং ভবিষ্যতেও রাখব।
কে