দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ডিসেম্বরের মধ্যে এ কেন্দ্র থেকে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রীডে। সে লক্ষে চলছে শেষ পর্যায়ের কাজ। এটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের জন্য এটি মাইলফলক বলে মনে করছেন এই প্রকল্পের কর্মকর্তা।
২০১৯ সালের ৩১ আগষ্ট চীনের রাষ্ট্রয়াত্ত প্রতিষ্ঠান নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রয়ত্ব প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরএনপিএল) যৌথ বিনিয়োগে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু করে। জেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামে ৯১৫ একর জমির উপর ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরে এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়।
করোনা সহ নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে টারবাইন, চুল্লি, কোল স্টোর, স্টিল স্টাকচার, বয়লার ও জেনারেটর বসানোর কাজ। বর্তমানে দ্রুত গতিতে চলছে কনষ্ট্রাকশন ও রংয়ের কাজ। ৪ হাজার বাঙ্গালী ও দেড় হাজার চাইনিজ শ্রমিক এ নির্মাণ কাজ করছেন। ইতিমধ্যে বয়লারে ফায়ারিংও করা হয়েছে। মোট কথা বর্তমানে বিদুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত এ পাওয়ার প্লান্ট।
এ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষে নিজস্ব অর্থায়নে ২০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন, ৪ শ‘ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন ও পাশ্ববর্তী আমতলী উপজেলায় একটি সুইচিং স্টেশন তৈরী করা হয়েছে। এ সুইচিং স্টেশনের কাজও ৯২ ভাগ শেষ।
বর্তমানে শেষ পর্যায়ের টেস্টিং ও কমিশনিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। জুলাই মাসে ব্যাক ফিড পাওয়ার পেলে সেপ্টেম্বরে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট ও ডিসেম্বরে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত করতে চায় প্রকল্পটি।
এ প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ যোগ হলে লোডসেডিং অনেকটা কমবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।
এমএ