দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের পদ পাওয়ার আশায় বয়স জালিয়ারি অভিযোগ উঠেছে “গোয়ালন্দ পৌর ছাত্রলীগের” সাবেক সভাপতি মো. রাতুল আহমেদ এর বিরুদ্ধে।
গোয়ালন্দ পৌর বিএনপি’র ৩৪নং সদস্য মো. কুব্বাত মন্ডল এর ছেলে রাতুল আহমেদ। রাতুল আহমেদ রাজবাড়ী জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি কানিজ ফাতেমা চৈতীর অনুসারী।
অভিযুক্ত রাতুল আহমেদ জানান, আমার ব্যাপারে আনীত অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার জন্মসনদে কোন জালিয়াতি নেই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর জন্য কেউ কেউ এমনটি করছেন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মো. রাতুল আহমেদ ২০১০ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। সেই সদনে তার জন্ম তারিখ ১৪ জুলাই ১৯৯৩ সাল। একই জন্ম তারিখ ব্যবহার করা হয়েছে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে। কিন্ত বয়স জালিয়াতি করে তার বয়স দেখানো হয়েছে ১৯৯৫ সালে ১৪ জুলাই।
এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কমিশন মো. জসিমউদ্দিন। তিনি বলেন, প্রথমে জন্ম নিবন্ধনে ২ বছর সংশোধন করে। ২০২১ সালে জাতীয় পরিচয়পত্রে সংশোধনের জন্য আবেদন করেছে। সেখানে শিক্ষা সনদের বয়স ২ বছর কম দেখিয়ে আবেদন করে।
গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি তুহিন দেওয়ান বলেন, ২৯ বছর পার হওয়ার পর ছাত্রলীগে থাকার কোন সুযোগ নেই। যদি কেউ বয়স লুকিয়ে বা জালিয়াতি করে পদ-পদবী পাওয়া চেষ্টা করে তাহলে তার কাছ থেকে দল কতটুকু উপকৃত হবে। সুতরাং কেউ যদি পদ-পদবী পাওয়ার জন্য সঠিক বয়স লোকানোর চেষ্টা করে তাহলে তাকে শাস্তির আওতায় নেওয়া প্রয়োজন।