দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাসের গার্ডরুমের সামনে ডিউটিরত অবস্থায় মনিরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেন কাউসার আলী নামের অপর এক পুলিশ সদস্য।
অভিযুক্ত কাউসার আলী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নের দৌলতখালী দাড়ের পাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়াত আলীর মাস্টারের ছোট ছেলে।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায় , কাউসার ২০০৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। চাকরি জীবনের বছর পাঁচেক পরে ২০১০ সালের দিকে তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়। তাকে সরকারিভাবে কয়েকবার পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।
কাউসারের মা মাবিয়া খাতুনের বলেন, আমার ছেলে এমনিতে খুব ভালো। তার মাথার সমস্যা আছে, সে চাকরিতে যোগদানের পরে অসুস্থ হয়। তার সঙ্গে আমার শনিবার রাত ৮টায় শেষ কথা হয়। আমার সঙ্গে ভালো ভাবেই কথা বলেছে। মা কেমন আছো, আব্বা কেমন আছে জিজ্ঞেস করে। তবে কয়েকদিন ধরে আমার ছেলে বাড়িতে একটু কম কথা বলতো।
এ বিষয়ে তার স্ত্রী নিলুফার ইয়াসমিন সাথি বলেন, আমার স্বামী মানসিক রোগে আক্রান্ত। সে মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়ে যেতো, তাকে কয়েকবার পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে। চিকিৎসার কাগজপত্র আমার স্বামীর কাছে আছে। আমাদের পারিবারিকভাবে কোনো সমস্যা ছিল না। তবে সে মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে পরিবারের সঙ্গে কম যোগাযোগ করতো।
কাউসারের বিষয় জানতে চাইলে তাঁর প্রতিবেশী দৌলতপুর সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘কাওছার চাকরিতে যোগদানের বছর পর থেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে তার চিকিৎসা করানোর পরে সুস্থ হলে আবার চাকরিতে যোগদান করেন তিনি।
আরএ