দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সৃষ্ট ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মারা গেছে বন্য প্রাণী। ঝড় শেষে মঙ্গল ও বুধবার এই ২ দিনে মোট ৩৯টি হরিণ এবং ১টি শূকরের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। এছাড়া আহত অবস্থায় ১৭টি হরিণকে উদ্ধার ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দে বলেন, ঝড়ের কবলে পড়ে সুন্দরবনের বেশকিছু বন্যপ্রাণীর ক্ষতি হয়েছে। বনের অভ্যন্তর থেকে ৩৯টি হরিণের মরদেহ ও ১টি শুকরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্য ও জামতলা এলাকা থেকে ভেসে আসা ২৪টি মৃত হরিণ উদ্ধার করা হয়। সুন্দরবন করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্র এলাকার সামনের পশুর নদসহ বনের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ১৪টি হরিণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১টি শূকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দফায় দফায় উচ্চ জোয়ারে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। এই জোয়ারের উচ্চতা ছিল ১০ থেকে ১২ ফুট। পানি দেখে বন্য প্রাণীর ক্ষতির আশঙ্কা করছিলাম। মৃতদেহ পাওয়ায় বন বিভাগ উদ্বিগ্ন। মৃত হরিণগুলো কটকায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। আর জীবিত হরিণ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
উচ্চ জোয়ারের পানি সুন্দরবনে গহিনে উঠে যাওয়ায় হরিণগুলো ভেসে যাওয়ার পর সাঁতরে কূলে উঠতে না পেরে মারা গেছে বলে ধারণা বন বিভাগের। আরও অনেক মরদেহ ভেসে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।
এফএইচ