দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় একজনকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচারিক আদালত। কারাদণ্ডপ্রাপ্তের নাম মো. মোজাম্মেল হক (৪০)।
মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে এই রায় দেন রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচারিক ও জেলা ও দায়রা জজ এম ইসমাইল হোসেন। এসময় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ছাড়াও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার এলাকার পুরান পাড়ায় ধর্ষণের শিকার হয় ১৩ বছরের ৬ষ্ঠ শ্রেণির মাদরাসাছাত্রী। আসামি মো. মোজাম্মেল হক কৌশলে শিশুটিকে নিজ ঘরে ডেকে বন্দী করে ধর্ষণ করেন। এসময় স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে আসামিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
পরে শিশুটির মা বাদী হয়ে আসামির বিরুদ্ধে রাঙামাটি কোতোয়ালী থানায় মামলা করে। ২০১৯ সালে রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি আমলে নেয়।
রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্টাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম অভি এই রায়ে সন্তুোষ প্রকাশ করে বলেন, আসামিকে নব্বই দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তকে জরিমানার অর্থ জমা দানের নিদের্শ দিয়েছেন আদালত। এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত শিশুটি ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবে। আসামি যদি এই ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১৬ ধারার বিধান অনুসারে আসামীর মালিকাধীন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম করে সেই অর্থ ক্ষতিগ্রস্তকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করা হবে।
এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আহমেদ অসন্তোষ প্রকাশ করে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানান।
আরএ