দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্যাস সিলেন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রোহিঙ্গা নাগরিক ছৈয়দ নুর বাদী হয়ে ভাসানচর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে সফি আলম (২৪) নামে আরেক রোহিঙ্গা নাগরিককে। সে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. তৈয়বের ছেলে এবং ৮১নং ক্লাস্টারের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প-৩ এর ৮১নং ক্লাস্টারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সফি আলম গত ২৪ ফেব্রুয়ারি একটি এনজিও থেকে এলপিজি গ্যাস পাওয়ার কথা ছিল। তার পূর্বের ব্যবহারকৃত গ্যাস সিলিন্ডারে কিছু গ্যাস থেকে যায়। নতুন গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার আশায় ঐদিন সকালে সফি আলম তার রুমের বাহিরের বারান্দায় ব্যবহৃত সিলিন্ডার থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়। ফলে গ্যাস আশপাশে বাতাসের সাথে মিশে যায়। একই সময়ে ৮১ নং ক্লাস্টারের সফি আলমের পাশের ঘরে আবদুস শুক্কুরের স্ত্রী আমিনা খাতুন এবং অপর ঘরে আব্দুল হাকিমের মেয়ে শমসিদা গ্যাসের চুলায় রান্না করতেছিলো।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, সফি আলম ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস ছেড়ে দেওয়ায় গ্যাস বাতাসের সাথে মিশে ক্লাস্টারের বিভিন্ন রুমে ছড়িয়ে পড়ে এবং রান্নার আগুনের সঙ্গে মিশে রুম নং-৩, ৫, ৬, ৭, ৮ সহ বারান্দায় ও রুমে আগুন লেগে যায়। ফলে রোহিঙ্গা শিশু রবি আলম, সোহেল, রাসেল, মুবাশ্বিরা, রশমিদা, আমনো আক্তার, জুবায়দা, বশির উল্লাহ, সফি আলমসহ আরো কয়কেজন অগ্নিদগ্ধ হয়। খবর পেয়ে পুলিশসহ ক্যাম্পের অপর রোহিঙ্গারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আসাদুজ্জামান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সফি আলম সাবধানতা অবলম্বন না করায় অবহেলাজনিত তাচ্ছিল্যপূর্ণ কারণে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফএইচ