দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরের দুর্গম চরের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শাহিনা বেগম নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
মরদেহ উদ্ধারের আগেই নিহত শাহিনার স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পালিয়ে গিয়েছিল। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় স্বামী হেলাল গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) হেলাল গাজীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে তাকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কোদালপুর এলাকার গাজীকান্দি গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে গৃহবধূ শাহিনা বেগমকে (২২) হত্যা করে পালিয়েছিল স্বামী হেলাল গাজীসহ তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পুলিশ শাহিনার মরদেহ উদ্ধার করার পর তার বাবা জান্নাল পাজাল মেয়ে হত্যার অভিযোগে ৫ জনকে আসামি করে গোসাইরহাট থানায় মামলা করেন।
এরপর গোসাইরহাট থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওবায়েদুল হকসহ পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানী ঢাকার পল্লবী থেকে অভিযুক্ত হেলাল গাজীকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার হওয়া হেলাল গাজী পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে পারিবারিক কলহের জেরে তিনি তার স্ত্রী শাহিনাকে হত্যা করেছেন। এরপর বৃহস্পতিবার হেলাল গাজীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গোসাইরহাট থানার ওসি পুষ্পেন দেবনাথ বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা শাহিনা হত্যা হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। শাহিনা হত্যার ঘটনায় তার বাবা মামলা দায়ের করলে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গোসাইরহাট থানা পুলিশ ঢাকা থেকে হেলাল গাজীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারকৃত হেলাল গাজীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
জেবি