দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরে ডামুড্যা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কুলকুড়ি এলাকায় নিজ অর্থায়নে মসজিদ নির্মাণ করে দিলেন সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ। সম্প্রতি ওই সৌদি নাগরিক তার কর্মচারী মোক্তার ঢালীর মাধ্যমে চার কোটি টাকা খরচ করে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ করেন।
রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোক্তার ঢালী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত শুক্রবার সৌদি এয়ারলাইনসে একটি বিমানে চার কন্যাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ। বিমান বন্দর থেকে তিনটি গাড়ি নিয়ে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় চলে আসেন। এসময় তাকে বরণ করতে মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে এগিয়ে যায় এলাকার যুব সমাজ। ডামুড্যা পৌরসভার কুলকুড়ি এলাকায় পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এলাকাবাসী। নিজের টাকায় নির্মিত মসজিদ দেখে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করেন খালাফ ও তার কন্যারা।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২০ বছর যাবৎ ডামুড্যার কুলকুড়ির সৌদি প্রবাসী মোক্তার ঢালী সৌদি আরবে শেখ হামুদ আলী আল খালাফের অধীনে কাজ করছেন। কাজের সুবাদে মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে মোক্তারের। মোক্তার একদিন তার মালিককে প্রস্তাব করেন যে, খালাফ আমার এলাকায় একটি ভাঙ্গা মসজিদ আছে। তুমি চাইলে ওটাকে নির্মাণ করে দিতে পার। মোক্তারের প্রস্তাবে রাজি হয়ে খালাফ প্রায় ৪ কোটি টাকা খরচ করে কুলকড়ি কবিরাজ বাড়ি জামে মসজিদটি নির্মাণ করেন সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ।
সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ বলেন, বাংলাদেশ মসজিদ নির্মাণ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত। আমি এ মসজিদটি নিজের চোখে দেখার জন্য আমার চার মেয়েকে নিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করতে ছুটে এসেছি। আমি মোক্তারের সহযোগিতা এ কাজ করতে পেরেছি। আমি আগামীতে এরকম সুন্দর আরও মসজিদ নির্মাণ করব ইনশাআল্লাহ।
মসজিদের ইমাম মুফতি মোরশেদ আলম বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর এক বান্দার উছিলায় দৃষ্টিনন্দন একটি মসজিদ নির্মাণ হয়েছে প্রত্যন্ত গ্রামে। মসজিদটি দৃষ্টি নন্দন করে গড়ে তুলতে যারা জড়িত তাদের সকলের জন্য দোয়া করি।
ডামুড্যা পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রাজা ছৈয়াল বলেন, শেখ হামুদ আলী আল খালাফ ইসলামের জন্য নিবেদিত প্রাণ। বাংলাদেশিদের ধর্মপ্রেম তাকে মুগ্ধ করেছে। এজন্য তিনি পাশের আরেকটি মসজিদে ১৭ লাখ টাকা দান করে গেছেন। তাকে ধন্যবাদ জানাই।
আরএ