দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ভ্যানচালক মানিকুল ইসলাম হত্যাকান্ড তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছেন গোয়েন্দা সংস্থা। তারা হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছেন।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে ওই উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দালালপাড়া থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে একই ইউনিয়নের রমনীগঞ্চ থেকে তার মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মানিকুল ইসলাম ওই উপজেলার সিঙ্গিমারী গ্রামের আব্দুর ছাত্তারের ছেলে বলে জানা গেছে। প্রতিবেশী একজনের ভ্যান চুরির অভিযোগ উঠায় কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ মানিকুল ইসলাম।
এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের করতে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডিও তদন্ত করছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন আগে সিঙ্গিমারী গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে বাবুলের একটি ভ্যান চুরি হয়। ওই চুরি ঘটনায় মানিকুল ইসলামে সন্দেহ করে বাবুলের পরিবার।
এ ঘটনার পর থেকে মানিকুল নিখোঁজ হয়। শুক্রবার বিকেলে ভুট্টা ক্ষেতে তার মরদেহ দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়।
পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এদিকে আজ শনিবার সকালে দালালপাড়া এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ে ছুড়ি, মোবাইল ও গর্ত দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে গর্ত থেকে মাথা উদ্ধার করেন। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড তা নিশ্চিত না হলেও ধারণা করা হচ্ছে ওই ভ্যান চুরির ঘটনার কারণে মনিকুল হত্যাকাণ্ডের শিকার হতেও পারেন।
ধারণা করা হচ্ছে ওই চুরির ঘটনায় মনিকুলের সঙ্গে আরও যারা জড়িত ছিলেন তাদের সঙ্গে হয়তো বা কোনো দ্বন্দ্ব দেখা দিলে তাকে হত্যা করা হয়। ইতোমধ্যে চুরি হওয়া ভ্যানও উদ্ধার করেছে সিঙ্গিমারী ইউনিয়ন পরিষদ।
মনিকুলের স্ত্রী শাকিলা আক্তার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে ফোনে তার স্বামীর সঙ্গে কথা হয়। তার স্বামী তাকে জানান, রাত আটটার মধ্যে বাড়ি এসে কাপড় নিয়ে ঢাকা চলে যাবেন। মোবাইল ফোন পাশে রাখতে বলেন। তিনি বাড়ি আসবেন এটা কাউকে বলার দরকার নেই। কিন্তু রাত আটটার পর তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মানিকুলের মা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
জেবি