দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নড়াইলে অনলাইনে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জমাদিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন ট্যাব, ১২৬টি অবৈধ সিম, তিনটি মোবাইল ফোনসেট, দুটি ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) পুলিশ সুপারের হলরুমে এস প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহা. মেহেদী হাসান এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তাররা হলেন, কালিয়া উপজেলার কলামনখালী গ্রামের আবু হানিফ শেখের ছেলে সবুজ শেখ (৩৫) ও খুলনা সদরের ট্রাফিক মোড় এলাকার আবুল কালাম শেখের ছেলে মাহফুজুর রহমান (২৩)।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যাদবপুর বাজার এবং খুলনার রুপসা পশ্চিম ঘাট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান জানান, পূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া প্রতারক চক্র ডিএসএলআর ক্যামেরা বাজার স্টোর নামে অনলাইন পেইজে ক্যামেরা বিক্রির কথা বলে নড়াইল শহরের ভওয়াখালী এলাকার তৈয়ব আলী মোল্লার কাছ থেকে অগ্রিম পাঁচ হাজার টাকা নেয়। অগ্রিম টাকা পাওয়ার পরও প্রতারক চক্র বিভিন্ন ছলচাতুরি করে ক্রেতাকে ফাঁদে ফেলে আরও ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগী তৈয়ব আলী মোল্লা (৩৬) গত ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেন তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দেওয়া অনুযায়ী প্রতারণার কাজে ব্যবহার হওয়া অন্যের নামে নিবন্ধিত মোবাইল সিম বিক্রেতাকে আটকের জন্য পুলিশ অভিযানে নামে।
নড়াইল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও ডিবি পুলিশ বুধবার রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে অবৈধ সিম বিক্রির সময় যাদবপুর বাজার থেকে ৯০টি সিমসহ সবুজ শেখকে এবং খুলনার রুপসা পশ্চিম ঘাট এলাকা থেকে দুটি বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন ট্যাব, দুটি ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার, তিনটি মোবাইল সেট ও ৩৬টি অবৈধ সিমসহ মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
সবুজ শেখ প্রতিটি সিম মাহফুজুর রহমানের কাছ থেকে ৬০০ টাকা দিয়ে কিনে ১ হাজার ৫০০ টাকায় কালিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতো বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তারা।
জেবি