দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বহিষ্কৃত বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের তৃণমূল বিএনপিতে যোগদান নিয়ে মুখ খুললেন তার ছোট ভাই মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তিনি বলেছেন, তার তৃণমূল বিএনপিতে যোগদান প্রত্যাশার করেনি। একই সঙ্গে এটিও প্রত্যাশা করেনি তাকে বিএনপি বহিষ্কার করবে।
সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তৈমূর আলম খন্দকার আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসাস্থল ও নীতি নির্ধারক। তবে তার বর্তমান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত নই।
তিনি উল্লেখ করেন, আমি আমৃত্যু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল হয়ে বিএনপিতেই থাকতে চাই। হয়তো আর কোনোদিন দলের কোনো পদ পদবী পাবো না। তবুও দলের সাধারণ সদস্য হিসাবে, একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যাব। বিএনপি যদি আমাকে বহিষ্কারও করে তবুও আমি ধানের শীষের একজন ভোটার, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন অনুসারী ও শুভাকাঙ্খী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতি আস্থাশীল ও দলের সঙ্গে থাকব ইনশাআল্লাহ। যারা আমাকে ভালবাসেন এমন নেতাকর্মীরা বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রইল।
এদিকে অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানিয়েছেন, আমি বিএনপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আমার ছোট ভাই খোরশেদ ফোন করে কান্নাকাটি করছে। মেয়ে ব্যারিস্টার মার-ই য়াম খন্দকার অভিমান করে আছেন। কিন্তু আমার তো করার কিছু নেই!
প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ বলেন, দেড় বছর আগে বিএনপি বহিষ্কার করেছে। তারপর বিএনপির কেউ একটি বারের জন্য ফোন করে খোঁজ খবর নেয়নি, কোনো মূল্যায়ন করেনি। এখন আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। নিজের পরিচয় দেওয়ার জন্য তো একটি প্লাটফর্ম দরকার।
আগামীকাল ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তৃণমূল বিএনপির প্রথম কাউন্সিল। এই কাউন্সিলে দলটির শীর্ষ দুই পদে আসতে পারেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী ও চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য (বহিষ্কৃত) এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তৈমূর আলম খন্দকার।
এফএইচ