দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বগুড়া ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) শিক্ষার্থীদের নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সজল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে শেরপুর উপজেলার ছোনকা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শরাফত ইসলাম।
সজল ঘোষ শহরের রহমাননগর এলাকার মৃত সুমেন ঘোষের ছেলে। তিনি বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
মুঠোফোনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শেরপুরের ছোনকা বাজার এলাকা থেকে সজল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সোমবার সন্ধ্যায় আইএইচটির অধ্যক্ষ আমায়াত-উল-হাসিনকে বাগেরহাট ম্যাটসের সিনিয়র লেকচারার হিসেবে বদলি করা হয়।
অভিযোগ আছে, ছাত্র না হয়েও বগুড়া আইএইচটির ছাত্রাবাসের ২১৮ নম্বর কক্ষ দখল করে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে সজল পুরো ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিবেশ করে রেখেছিল৷ সেখানে থেকে শিক্ষার্থীদের মারধর, হলে সিট বাণিজ্য, মাদকসেবন এবং পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার নামে।
গত ২৯ আগস্ট বিকেল থেকে সজল ঘোষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তার গ্রেপ্তার ও অধ্যক্ষের অপসারণ চেয়ে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে আসছিল বগুড়া আইএইচটি'র শিক্ষার্থীরা। অবশেষে ছাত্ররাজনীতির আড়ালে অপরাজনীতির সম্রাট সজল ঘোষের গ্রেপ্তারে স্বস্তি ফিরেছে ক্যাম্পাসে। তবে সজল ফিরলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে। তাই তাদের নিরাপত্তা বিধানে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।
জেবি