দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজীপুরের শ্রীপুরের তাকওয়া পরিবহনের একটি চলন্ত মিনিবাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চম্পা বেগম (৩২) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে গাড়িটির চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনায় বাসটি এবং চালক-হেলপারকে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত পৌনে ৯টার দিকে শ্রীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি বাজারের তাহের সিএনজি পাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ খবরে আশপাশের উত্তেজিত জনতা বেশ কয়েকটি মিনিবাস ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।
নিহত চম্পা বেগম ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নিজগাঁও গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী ও চান্দুরা সুরুজ আলীর মেয়ে। তিনি স্বামীর সঙ্গে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং সেখানকার একটি কারখানায় চাকরি করতেন।
চম্পার ভাজিতা সুমন মিয়া জানিয়েছেন, উপজেলার নয়নপুর এলাকায় ছোট বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন চম্পার বাবা। তার বোন গার্মেন্টসে কাজ করেন। বাবার সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার ছোট বোনের বাড়ি যান চম্পা। পরে সেখান থেকে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি যাওয়ার জন্য নয়নপুর থেকে বাসে ওঠেন তিনি। বাসটি কিছুদূর যাওয়ার পর হেলপারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে চলন্ত বাস থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী বালুর গাড়ির শ্রমিক জালাল উদ্দিন বলেন, আমরা ঘটনাস্থলের কাছাকাছিই ছিলাম। হঠাৎ তাকওয়া পরিবহনের একটি বাসে বিকট শব্দ হয়। পরে মহাসড়কের পাশ থেকে ওই নারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি।
মাওনা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেন বলেন, বাস থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনাটি এখনো নিশ্চিত নই। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কংকন কুমার বিশ্বাস জানান, বাসটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বাসটি শনাক্ত করা গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
জেবি