দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের খান বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাদার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার পুড়ে যাওয়া রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ থেকে মুক্তার দেহাবশেষ উদ্ধার করে পুলিশ। গলায় থাকা লকেট দেখে তার পরিচয় শনাক্ত করেন স্বামী দেওয়ান ফয়সাল।
গত ১৭ অক্টোবর ইনানীর টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন মুক্তা। তিনি ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন তিনি।
অগ্নিকাণ্ডের পর অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হলেও মুক্তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মরদেহের মধ্যেও তার দেহাবশেষ ছিল না। প্রিয়জনের খোঁজে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল পরিবারের সদস্যদের। অবশেষে নতুন করে তল্লাশি চালিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১ জনে।
মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সালের অভিযোগ, শুরু থেকেই যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হলে হয়তো আরও আগেই তার সন্ধান পাওয়া যেত। উদ্ধারকাজে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
দীর্ঘ ১১ দিনের অপেক্ষার অবসান হলেও স্বজনদের কাছে মুক্তার ফিরে আসা ছিল এক বেদনাবিধুর অধ্যায়। দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
কেএম