দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার দুপুরে রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আরও একটি মরদেহ।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের সামনে প্রিয়জনের মরদেহ ফিরে পেতে মঙ্গলবার সকাল থেকে অপেক্ষায় ছিলেন স্বজনেরা। দুপুরে জেলা প্রশাসন ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
অন্যদিকে, টুপটুপ রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজের তালিকায় থাকা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার বাসিন্দা শিক্ষক নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের ছয় ও চার সদস্য রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে একটি পরিবারের সদস্য মৌলিতা মেহজাবিন আলভি, তাঁর চাচাতো বোন লায়লা জাহান নাবিলা ও ইসরাত জাহান মালিহা, তাঁদের আত্মীয় ফারিয়া কবির, ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি রয়েছেন। তাঁরা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা।
নিহত অন্য চারজন একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা হলেন ঢাকার শ্যামলীতে বসবাসকারী গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া ও মুনাইনা ইহানা।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। মামলার তদন্তে কোনো গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান।
জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, পর্যটন শহর কক্সবাজারে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন।
গত ১৭ অক্টোবর ইনানীর টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০ জনের মরদেহ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডির পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। ঘটনার ১০ দিন পর মরদেহ ফিরে পেলেন নিহতদের স্বজনেরা।
এমএস/