দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নিখোঁজের প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সোয়াইফ হোসেন নামে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাসন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সোয়াইফ হোসেন ওই এলাকার সেলিম সরদার ও শিমুলি দম্পতির সন্তান।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সোয়াইফ। পরে স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান। এরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে আবু আলেম শিকদারের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, প্রতিবেশী আলী আকবর শিকদারের সঙ্গে সেলিম সরদারের পরিবারের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। ওই ঘটনার জেরে শিশুটিকে হত্যা করে বস্তাবন্দি অবস্থায় ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত আলী আকবর শিকদারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় আলী আকবরের ছেলে রাসেল শিকদারকে আটক করেছে পুলিশ।
শিশুটির বাবা সেলিম সরদার অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী আলী আকবরের ঝগড়া হয়। রাতে তার মা তাকে বিষয়টি জানান। শনিবার সকালে তিনি বাজারে গেলে বাড়িতে ফিরে সন্তানকে দেখতে পাননি। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে আলী আকবরের বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে তার ছেলের বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সেলিম সরদার বলেন, তার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।
অভিযুক্ত পরিবারের কোনো সদস্য বাড়িতে না থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) শামসুল আরেফীন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এমএস/