দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানী উত্তরার একটি বেসরকারি হাপাতালে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অপারেশন করা হয়। অস্ত্রোপচার শেষ হলে চিকিৎসকরা বেরিয়ে যান। এরপর অপারেশন কক্ষেই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করা হয়। এমন অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ওটি সহকারীর বিরুদ্ধে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭ আগস্ট দুপুরে ওই ছাত্রীর অস্ত্রোপচার শেষ হলে ওটি সহকারী তাকে যৌন হয়রানি করেন।
ভুক্তভোগী জানান, অস্ত্রোপচার শেষ হলে চিকিৎসকেরা বেরিয়ে যান। তখন ওটিতে একজন পুরুষ ও একজন নার্স ছিলেন। পুরুষটি ওই নার্সকে কৌশলে বের করে দিয়ে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে নার্স ওটিতে ফিরে বলেন, তাকে তো কেউ ডাকেনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর বিচার চান ওই ছাত্রী। পরবর্তীতে যেন এ ঘটনা আর কারও সঙ্গে না ঘটে।
ভুক্তভোগীর খালা বলেন, ১৭ আগস্ট বেলা ১টা ২০ মিনিটে আমার ভাগনির অপারেশন করেন ডা. শামিমা হক চৌধুরী। অপারেশনের পর ডাক্তাররা অবজারভেশনে রেখে বেরিয়ে যান। তখন সেখানে রোগী, একজন পুরুষ ও একজন নার্স ছিলেন। ওই অবস্থায় আমাদের ভাগনি সব শুনছিল, টের পাচ্ছিল। কিন্তু নড়াচড়া করতে পারছিল না। লোকটি নার্সকে চালাকি করে বের করে দিয়ে ভাগনির আপত্তিকর স্থানে হাত দেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ২০ আগস্ট হাসপাতালের পরিচালক বরাবর অভিযোগ দেয়। তার স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
জানা যায়, এ ঘটনায় হাসপাতালের উপপরিচালক মেজর (অব.) ডা. মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
এফএইচ